Posts

Showing posts from December, 2020

চুলের যত্নে শ্যাম্পু-hair shampo

Image
 সৌন্দর্য মানুষের জীবনের এক অনন্য সম্পদ। সৌন্দর্যই জানো সবকিছুর মন বর্তমান যুগে সবাই সুন্দরীই। সুন্দরী যেন অপরূপ সৃষ্টি এমনটাই মনে করে সবাই প্রতিযোগিতামূলক এই যুগে, তাই সবাই চায় সৌন্দর্য তা অর্জন করতে।  তাইতো সবাই নেমে পড়েছে সুন্দর হওয়ার প্রতিযোগিতায়। এ প্রতিযোগিতা এমন একটি প্রতিযোগিতা। যেখানে সবাই মূলত নিজের ইচ্ছা মাফিক ভাবে জড়িত হয়ে পড়েছে। আবার অনেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে জড়িয়ে পড়েছে।   ইচ্ছামাফিক বলতে বোঝায় নিজের নিজের ইচ্ছামত কোন কিছু করা।আর অনিচ্ছাকৃত বলতে বোঝাচ্ছে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে নিজের অজানা সত্ত্বেও কোনো কাজ করে বসা ।  ঠিক এইভাবে মানুষ নিজের অজান্তে আবার কেউ কেউ নিজের সজ্ঞানে সৌন্দর্য অর্জন নামক প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য নিয়মিত করে চলেছে অনেক চেষ্টা। আর এইসব সৌন্দর্যের মধ্যে রয়েছে মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য। যদিও অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করায় অনেক বেশি দরকারি।  কিন্তু মানুষ এখন অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য বাহ্যিক সৌন্দর্য বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বাহ্যিক সৌন্দর্য বলতে বুঝায় মানুষের শরীরের আকৃতি ও রং এর গ্রুপের মধ্যে চাহ...

তেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন- about oil

Image
 মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের একটি হল তেল। তেল তরল একটি পদার্থ।  যা আমাদের প্রতিদিনই প্রয়োজন পড়ে। তেল ছাড়া চলা যায় না।  একটি দিনও রান্নাবান্না থেকে শুরু করে প্রায় সব কাজে কমবেশি তেলের ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে রান্নার ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার অনেক বেশি। শুধু রান্না রূপচর্চার ক্ষেত্রে রয়েছে তেলের অনেক অনেক ব্যবহার।  আমরা প্রতিদিন খাবার রান্নার জন্য তেল ব্যবহার করে থাকি।  যেকোনো ধরনের খাবার এই তেলের ব্যবহার হয়ে থাকে। তেলের রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ। যেমন ঃভোজ্য তেল, নারিকেল তেল, সরিষার তেল, অ্যালোভেরা তেল, সোয়াবিন তেল, পাম অয়েল তেল, ডিজেল সহ বিভিন্ন রকম তেল।  একেক ধরনের তেল একেক ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়। যেমন রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় সরিষার তেল, ভোজ্যতেল, সয়াবিন তেল। তেলের সাথে ঘি এর ব্যবহার করা হয়।  যে কোন প্রকার রান্নাতেই প্রয়োজন পড়ে তেলের। ভাজাভাজি থেকে শুরু করে খাদ্য পরিবেশন রয়েছে। তেলের ব্যবহার তেল ছাড়া রান্না যেন সম্ভবই না।  তেল দিয়ে রান্না করলে খাবার অনেক সুস্বাদু হয়। শুধু খাবার সুস্বাদু খাবার দেখতে অনেক সুন্দর হয...

বিস্কুট সম্পর্কে জানুন-about biscuit

Image
 বিস্কুট কে আমরা কে না চিনি । শুধু চিনি না আমরা সবাই মোটামুটি কম না বেশি হলেও বিস্কুট খায়। বলা যায় মোটামুটি সবাই প্রত্যেকদিনই বিস্কুট খায় ।  সকালের নাস্তায় চায়ের সঙ্গে বিস্কুট থেকে শুরু করে দুপুরের টিফিন আর বিকেলের নাস্তায় বিস্কুট সমারোহ সবার চোখে পড়ে। তা না হলে বাঙালির যেন একটি দিন কাটে না। ছোট বড় বৃদ্ধ যুবক-যুবতী সবাই একপ্রকার বিস্কুট ভক্ত।  কেউ বিস্কুট খেতে খুব বেশি পছন্দ করে। আবার কেউ পছন্দ করে কিন্তু বিস্কুট পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। বলা যায় সবাই কমবেশি বিস্কুট খায়। তাই তো বাজারে বিস্কুটের এত কদর হাজার হাজার কোম্পানির তৈরি করা হাজার হাজার ফ্লেভারের বিস্কুট।  ছোট বড় সকলের মন জিতেছে দিনদিন বিস্কুট এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে বিস্কুট কোম্পানি গুলো। নিত্যনতুন উপাদানের আর সাদের তৈরি বিস্কুট গুলো খেতে খুবই ভালো লাগে।  যখনই ক্ষুধা লাগে তখনই হালকা-পাতলা খাবার হিসেবে বিস্কুট খাওয়া হয়। সাধারণত আমরা বাঙালিরা সকালের চায়ের সাথে বিস্কুট না হলে দিনটা যেন শুরু হতে চায়না।  শুধু চায়ের সাথে বিস্কুট না যে কোন খাদ্যের সাথে ব...

নেইল পালিশ সমাচার-nail palish

Image
 নেইল পালিশ শব্দটার সাথে আমরা সবাই মোটামুটি পরিচিত। পালিশ শব্দটির সাথে নেইল যুক্ত থাকায় আমরা সহজে বসতে বুঝতে পারছি নেইল এর সাথে সম্পর্ক রয়েছে।   নেই মানে নখ আংগুলের উপরের সাদা অংশটিকে নেইল বলে একে বাংলায় নখ বলা হয় নখে বা নেইলি পড়ার জন্য 1 প্রকার কসমেটিক্স পাওয়া যায় একে নেইলপালিশ বলে । মেয়েরা তাদের নেইল কে বিভিন্ন রঙে সাজানোর জন্য নেইলপলিশ ব্যবহার করে থাকে।  এটি ব্যবহারের ফলে নেইল অনেক সুন্দর ও রঙিন দেখায় ছোট থেকে শুরু করে বড় মেয়েরাও নেইলপলিশ ব্যবহার করতে পছন্দ করে। বিভিন্ন রঙের নেইলপলিশ পাওয়া যায় যেমন লাল হলুদ নীল কালো সাদা গোল্ডেন রুপালী সোনালী সবুজ বেগুনি বেগুনি বাসন্তী টিয়া চকলেট কালার পিংক কালার গোলাপী কালার ধূসর ইত্যাদি এছাড়াও আরো অনেক রঙের নেইলপলিশ পাওয়া যায়। বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানে নেইলপালিশ পাওয়া যায়। যেকোনো কসমেটিকসের দোকানে গিয়ে দোকানদারকে নেলপালিশের কথা জিজ্ঞেস করলেই নেলপালিশ পাওয়া যাবে।  দোকানগুলোতে বিভিন্ন ব্যান্ডের বিভিন্ন রঙের বিভিন্ন সাইজের নেল পালিশ  পাওয়া যায়। সবাই সবার চাহিদা মত নেলপালিশ কিনতে পারে নখে নেলপালিশ দেওয়ার ...

কানের দুল নিয়ে যত কথা- earing

Image
 কানের দুল একটি অলংকার। বাংলাদেশের  নারী রা যেমন অনেক অলংকার  প্রেমিক ঠিক অন্য দেশের নারীরাও অলংকার প্রেমিক।  মেয়েরা সবাই মোটামুটি  কেন খুব বেশিই অলংকার পছন্দ করে। অলংকার কিন্তু  শুধু একটি জিনিস কে বলে না।  অলংকার বলতে অনেক জিনিস কে বুঝায়।  যেমন হাতের চুরি, গলার মালা,কানের দুল,নাক ফুল,নাকের নথ,গলার হার,মাথার টিকলি,সিঁথিপাটি, পায়ে নুপুর,হাতে ব্যাজ,পায়ে পায়েল,হাতে ঘরি,কমরে বিসা,সীতাহার,কন্ঠ হার,লকেট,কাচের চুড়ি,মাথার খোপা,মাথার ব্যান্ড,হাতের নখের আংটি,পায়ের নখের আংটি আরো অনেক অনেক সাজের দ্রব্য মিলিয়ে অলংকার।  এসব দ্রব্য এর নাম বলে শেষ  করা যাবেনা ঠিক এমন।  এসব এর মধ্যে  মেয়েদের খুব প্রয়োজনীয় হলো কানের দুল।শুধু প্রয়োজনীয়  নয় বরং খুব পছন্দের হলো কানের দুল।  নানা সাইজ নানা ডিজাইন নানা ধরন নানা প্রকার কানের দুল দেখা যায়৷  একেক জনের একেক রকম চাহিদা। নারীদের এসব চাহিদার উপর ভিত্তি  করেই গড়ে উঠেছে অনেক অলংকারের শপিংমল বা জুয়েলারি হাউস বা দোকান।  এসব দোকানেই বিভিন্ন সাইজের বিভিন্ন  রং  এর, বিভিন্ন রকম এর...

মজার খাবার পাস্তা-food

Image
 পাস্তা নামটা শুনেই জ্বিভে পানি বা জল এসে যায় তাইনা। পাস্তা একটি খাবারের নাম। খুব জনপ্রিয়  খাবার এটি।  ছোট বড়বসকলের কাছেই পাস্তা খেতে খুব মজা লাগে।  আমরা মোটামুটি  সবাই পাস্তার সাথে পরিচিত।  সবাই কমবেশি পাস্তা খেতে পছন্দ  করি। অন্যন্ত লোভনীয় স্বাদের এই খাবারটি খেতে সবাই আমরা খুব পছন্দ করে থাকি। বাড়ি কিংবা হোটেল রেস্তোরাঁ   সব জায়গায় পাস্তার কদর অনেক বেশি।  অনেকেই পাস্তা আর নুডলস কে এক ভাবে।  কিন্তু পাস্তা আর নুডলস  সম্পুর্ন আলাদা।  তবে খুব কাছাকাছি স্বাদের খাবার এগুলো। পাস্তা নুডলস  এর মতো রান্না করে খেতে হয়।  অনেকে বাড়িতে রান্না করে খায় কেউ আবার হোটেল বা রেস্টুরেন্টে  গিয়ে খায়। বাসায় তৈরী পাস্তা অনেক সুস্বাদু  ও পুষ্টিকর  হয়ে থাকে।  কেননা বাসায় অনেক যত্ন সহকারে পাস্তা রান্না করা হয় ততো যত্ন করে বা পরিষ্কার  করে  সুন্দর করে হোটেল বা রেস্টুরেন্টে  বা রেস্তোরায়  রান্না করা হয় না।  আবার অনেক ভালো ভালো হোটেল আছে যেখানে খুব যত্ন সহকারে পাস্তা রান্না করা হয়।  বাঙ্গালী...

না বলা ভালোবাসা-love story

Image
  হালকা বাতাসে মনের ভিতর টা আরো কেমন জানি অস্তির হয়ে ওটছে। বসন্তকাল না হলেও মনে কেন জানি বসন্তের ছোয়ার মতো ভাব। একটু পর পর মনটা অস্থির হয়ে ওটছে। সকালের সুর্য টা তার হালকা হালকা কিরন ছড়াচ্ছে। আমরা যেখানে দাড়িয়ে আছি তার পাশে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ,যতদুর চোখ যায় সবুজের সমারোহ । আমি আনমনে চেয়ে আছি সকালের সুর্য  কিরনে চকচক করা শিশিরের দিকে।  পাশে দাড়িয়ে থাকা মেয়েটি যে আমার বেস্ট ফেন্ড ঐশী। আমি জানি ঐশীর মনেও অনেক কিছু ঘুরছে।বুঝতে পারছিনা ও আনন্দিত নাকি চিন্তিত। অল্প কিছুক্ষণ  পর আমাদের দুজনের নিরবতা কাটিয়ে ঐশী বলে ওটলো "এতো দেরি হচ্ছে কেনো বলতো? " হুুুমমম,,,একজন আসবে তার জন্যই আমি অপেেেেক্ষা  করছি। কে সে একজন জানো? সেটা তুমি। জানিি না কবে থেকেে তোমাকে নিয়ে এতো ভাবতে শুরু করেেেছিছ জানিনা কবে থেকে তোমাকে নিয়ে এতো ভাবতে শুরু করেছি,,,আজ আমি এইটাও জানিনা তুমি আমায় কেনো ডেকেছো?কেন আবার তুমি নিজে থেকেই আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছো?,,,  তুমি জানো আমার মনে আছে এখনো  আমাদের পরিচয় হওয়ার পর আমরা দুজন কত গল্প করতাম। দুজন একসাথে কতদিন স্কুলে যেতাম এই পাশের রাস্তা দিয়ে। তুমি...