কানের দুল নিয়ে যত কথা- earing

 কানের দুল একটি অলংকার।

বাংলাদেশের  নারী রা যেমন অনেক অলংকার  প্রেমিক ঠিক অন্য দেশের নারীরাও অলংকার প্রেমিক। 

মেয়েরা সবাই মোটামুটি  কেন খুব বেশিই অলংকার পছন্দ করে। অলংকার কিন্তু  শুধু একটি জিনিস কে বলে না। 

অলংকার বলতে অনেক জিনিস কে বুঝায়। 



যেমন হাতের চুরি, গলার মালা,কানের দুল,নাক ফুল,নাকের নথ,গলার হার,মাথার টিকলি,সিঁথিপাটি, পায়ে নুপুর,হাতে ব্যাজ,পায়ে পায়েল,হাতে ঘরি,কমরে বিসা,সীতাহার,কন্ঠ হার,লকেট,কাচের চুড়ি,মাথার খোপা,মাথার ব্যান্ড,হাতের নখের আংটি,পায়ের নখের আংটি আরো অনেক অনেক সাজের দ্রব্য মিলিয়ে অলংকার। 

এসব দ্রব্য এর নাম বলে শেষ  করা যাবেনা ঠিক এমন।



 এসব এর মধ্যে  মেয়েদের খুব প্রয়োজনীয় হলো কানের দুল।শুধু প্রয়োজনীয়  নয় বরং খুব পছন্দের হলো কানের দুল। 

নানা সাইজ নানা ডিজাইন নানা ধরন নানা প্রকার কানের দুল দেখা যায়৷ 

একেক জনের একেক রকম চাহিদা। নারীদের এসব চাহিদার উপর ভিত্তি  করেই গড়ে উঠেছে অনেক অলংকারের শপিংমল বা জুয়েলারি হাউস বা দোকান। 

এসব দোকানেই বিভিন্ন সাইজের বিভিন্ন  রং  এর, বিভিন্ন রকম এর, বিভিন্ন ব্যান্ডের, বিভিন্ন উপাদানের, বিভিন্ন প্রকারের কানের দুল পেয়ে থাকি।

 কেউ যদি কানের দুল কিনতে চায় তাহলে সে এসব দোকানে গেলেই কানের দুল পেয়ে যাবে। শুধু মার্কেটে র দোকান না এখন মেলাতেও কানের দুলের দোকান বসে৷ 

যেখান থেকে খুব সহজেই কানের দুল সংগ্রহ করা যায় তাবআবার নিজেদের চাহিদা মোতাবেক।



দুল বিভিন্ন  রকম হয় যেমন টপ দুল,ঝুলানো দুল,ঝুমকো দুল,পাথরের দুল বিভিন্ন। যারা যেমন দুল পছন্দ করে তারা তেমন দুল পড়ে।অথ্যাৎ সবাই সবার রুচিসম্মত  দুল পড়ে থাকে। তবে সব দেখতেই কিন্তু  খুব সুন্দর  লাগে। 

 কানের দুল তৈরী করা হয় বিভিন্ন  ধরনের মেটারিয়াল দিয়ে। এসব মেটারিয়াল বা উপাদান কোনোটা দামি, কোনোটা কমদামি আবার কোনোটা অত্যন্ত দামি। 
দামি মেটারিয়াল  বা উপাদান দিয়ে তৈরি কানের দুল  এর দাম ও বেশি হয়।
 
 আবার কম দামি মেটারিয়াল  দিয়ে তৈরি কানের দুলের দাম ও সস্তা বা কম হয়ে থাকে। 
 
আবার বেশি দামি মেটারিয়াল  বা  উপাদান  দ্বারা  বানানো কানের দুলের দাম অনেক বেশি  হয়। 
 
অথ্যাৎ দাম নির্ভর করে সম্পুর্ন  কানের দুল তৈরীর মেটারিয়াল  বা উপাদান  এর দামের উপর। কানের দুল তৈরীর কিছু  মেটারিয়াল  হলো পিতল,তামা,এন্টিক,পুতি,ক্লে,সোনা,রুপা,সুতা,তামা,হীরা,মুক্তা,মনী,পার্ল এসব ছাড়াও অনেক কিছু। 
 
অনেক বেশির ভাগ কানোর দুলে পাথর বসানো হয়। এগুলো হীরার মতো চকচক করলেও হীরা না।



হীরার অনেক দাম হওয়ায় হীরার তৈরি কানের দুলের দাম ও অনেক বেশি।
 তাই সবার সাধ্য থাকেনা হীরার কানের দুল কেনার৷ এজন্য মেয়েরা পাথর বসানো এসব কানের দুল পড়ে যেগুলো দেখতে ও উজ্জ্বল  আবার দাম ও খুব৷৷৷৷ 
 
বেশিনা। সবাই সবসময় ব্যবহারের জন্য সোনার তৈৈৈৈ কানের দুল ই বেশি কানের দুল বেশি ব্যবহার করে। কেননা সোনার তৈরি দুল গুলো ওজনে অনেক হালকা হয়ে থাকে৷ তাই সহজেই কানে পড়ে থাকা যায়৷
 
 সোনার তৈরি রিং দুল মোটামুটি  সব মেয়েরা ব্যবহার করে৷ যেকোনো অনুষ্ঠানে, বিয়েতে, গায়ে হলুদে সবাই অনেক ভারী ও গর্জিয়াস কানের দুল পড়ে।

এসব দুল ওজনে অনেক ভারি হয়। আর দেখতেও অনেক সুন্দর লাগে। এমন সুন্দর সুন্দর কাবের দুল পড়লে সকলকেই অনেক সুন্দর লাগে।
 
 পাথর পুথি সুতা পার্ল এর কারুকাজে ভরা এসব কানের দুল সব মেয়েদের পছন্দ। এখন আবার কানের দুলে আর্টিফিশিয়াল  ফুল ব্যবহার করা হয়। 
 
এসব কৃত্রিম  ফুলের তৈরি কানের দুল বসন্ত উৎসবে,গায়ে হলুদে মেয়েরা পড়ে। এসববকানের দুল এখনকার দিনে খুব জনপ্রিয়তা  অর্জন করেছে। 

মেয়েরা আদিকাল থেকেই কানের দুল ব্যবহারবকরে আসছে। 
আগে ছেলেওনসাজ সজ্জায় মেয়েদের মতো কানের দুল ব্যবহার করতো কিন্তু এখন তারা ব্যবহার করে না। তখনকার দিনে কানের দুলের মধ্যে বিচিত্র তা থাকলেও এখনকার দিনের মতো ওতো বৈচিত্র্য  ছিল না। 
 
অনেক কানের দুলে অনেক বৈচিত্র্য  দেখা যায়।  
 কানের দুল সব মেয়েরাই পড়ে। জুমকো কানের দুল পড়লে সবাইকেই  সুন্দর লাগে। 


Comments

Popular posts from this blog

কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম-অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম-পুরাতন কাপড় বিক্রি

How does Occupier Insurance work and what do I look for?

Esonic computer monitor একটি ইসোনিক কম্পিউটারের মনিটরের দাম কত