বিস্কুট সম্পর্কে জানুন-about biscuit

 বিস্কুট কে আমরা কে না চিনি । শুধু চিনি না আমরা সবাই মোটামুটি কম না বেশি হলেও বিস্কুট খায়। বলা যায় মোটামুটি সবাই প্রত্যেকদিনই বিস্কুট খায় । 



সকালের নাস্তায় চায়ের সঙ্গে বিস্কুট থেকে শুরু করে দুপুরের টিফিন আর বিকেলের নাস্তায় বিস্কুট সমারোহ সবার চোখে পড়ে। তা না হলে বাঙালির যেন একটি দিন কাটে না। ছোট বড় বৃদ্ধ যুবক-যুবতী সবাই একপ্রকার বিস্কুট ভক্ত। 


কেউ বিস্কুট খেতে খুব বেশি পছন্দ করে। আবার কেউ পছন্দ করে কিন্তু বিস্কুট পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। বলা যায় সবাই কমবেশি বিস্কুট খায়। তাই তো বাজারে বিস্কুটের এত কদর হাজার হাজার কোম্পানির তৈরি করা হাজার হাজার ফ্লেভারের বিস্কুট।



 ছোট বড় সকলের মন জিতেছে দিনদিন বিস্কুট এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে বিস্কুট কোম্পানি গুলো। নিত্যনতুন উপাদানের আর সাদের তৈরি বিস্কুট গুলো খেতে খুবই ভালো লাগে। 



যখনই ক্ষুধা লাগে তখনই হালকা-পাতলা খাবার হিসেবে বিস্কুট খাওয়া হয়। সাধারণত আমরা বাঙালিরা সকালের চায়ের সাথে বিস্কুট না হলে দিনটা যেন শুরু হতে চায়না।


 শুধু চায়ের সাথে বিস্কুট না যে কোন খাদ্যের সাথে বিস্কুট এখন অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাজারে হরেক রকমের বিস্কুট পাওয়া যায়। অনেক ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি তৈরি বিস্কুট খেতে লাগে ভিন্ন ভিন্ন রকম স্বাদ বিস্কুট খেতে একেক রকম। 1 কোম্পানি তৈরি করে একেকভাবে সকল কোম্পানির বিস্কুটের ফ্লেভার একরকম নয়।


 সবাই চায় বিস্কুটের মধ্যে নতুন করে নতুনত্ব আনতে। তাইতো বাজারে কুকিজ বিস্কুট থেকে শুরু করে চকলেট বিস্কুট চলে এসেছে ছোট বাচ্চারা যেমন নানা ফ্লেবার বিস্কিট পছন্দ করে। ঠিক তেমনি বড়রাও একেক জন একেক রকম ফ্লেভারের বিস্কিট পছন্দ করে। 



বিস্কুট আমাদের ক্ষুধা মেটায় না এটি আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে। কেননা বিস্কুট তৈরিতে যে সব উপকরণ ব্যবহার করা হয় মানুষের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।  উপাদানের মধ্যে রয়েছে আটা, ময়দা, চিনি, লবণ, বিট লবণ ও বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন উপাদান।


 কোন কোন বিস্কুটে ব্যবহার করা হয় গ্লুকোজ সহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান। শুধু উপাদানে উৎপাদনের পর কোম্পানিগুলো চমৎকার সুন্দর প্যাকেটে ভরে বিস্কুট গুলো। যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে সতেজ ও মচমচে থাকে। এইসব বিস্কুট যার কারণে উৎপাদনের দীর্ঘদিন পরেও বিস্কুট খেলে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না। 


তবে মেয়াদ উত্তীর্ণ খেলে খেলে বিস্কুট খেলে শরীরের হালকা ক্ষতি হতে পারে। এমনকি ফুড পয়জনিং হতে পারে। তাই আমাদের বিস্কুট কেনার সময় উৎপাদনের মেয়াদ পরীক্ষা করে বিস্কুট কিনতে হয়। 

উৎপাদনের মেয়াদ তারিখ বিস্কুটের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে। তা থেকে খুব সহজে জানতে পারা যায় কত তারিখে বা বা কতদিন আগে সেটি উৎপাদন করা হয়েছে। শুধু প্যাকেটের বিস্কুট না অনেক খোলা বিস্কুট পাওয়া যায়। 



তবে প্যাকেটের বিস্কুট খাওয়া ভালো এছাড়াও বাড়িতে বিভিন্ন ফ্লেভারের বিস্কুট তৈরি করা যায়। এর জন্য বাজার থেকে বিস্কুট বানানোর উপকরণ কিনে বাড়িতে খুব সহজেই বিস্কুট বানানো যায়। 


বাজারের কেনা বিস্কুটের থেকে বাড়ীতে তৈরি বিস্কুট অনে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হয়ে থাকে। তাই আমরা বাড়ীতে তৈরি বিস্কুট খাওয়া চেষ্টা করব। এতে আমাদের শরীর ভালো থাকবে।

Comments

Popular posts from this blog

কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম-অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম-পুরাতন কাপড় বিক্রি

How does Occupier Insurance work and what do I look for?

Esonic computer monitor একটি ইসোনিক কম্পিউটারের মনিটরের দাম কত