নীরবতা মানে অহংকার নয়, নীরবতা হলো ধৈর্য! Love Story- Ustopbd
বন্ধুরা আজকের আলোচনা বিষয় হচ্ছে নীরবতা মানে অহংকার নয় নীরবতায় ধৈর্য এই নিরাপত্তা পরীক্ষা দিতে হয় নীরব যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ আপনাকে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ চুপ ।
আমরা বর্তমান সমাজে বেশিরভাগ মানুষগুলোকে দেখে নিরব আসলে এই নীরবতার কারণ রয়েছে অনেকের কাছে হয়তো ইয়াং জেনারেশন সবাই জানবে না এবং একটি মানুষ কেন নীরবতা হয়ে থাকে এবং একটি মানুষ কেন সব সময় নীরব ইয়াং জেনারেশন সবকিছুই জানে এবং একটি সমাজে কি রকম ব্যবহার করা লাগে সেটা সবারই জানা রয়েছে ।
প্রেম ভালোবাসা এক সময় সবাইকে নিরব করে দেয় হয়তো হয়তো ব্যর্থতায় হয়তো অভিমান হয় তো বিবেক বা আবেগের কাছে ফিরে যাওয়া মানুষগুলো সব সময় নীরব হয়ে যায় এটা আমার কিন্তু বেশিরভাগই মানুষের মাঝে দেখতে পারি কেন নীরব একটি মানুষ ।
যখন একটি মানুষ প্রচুর পরিমাণে কাউকে ভালবাসবে বা সবচেয়ে বেশি কাউকে ভালবাসবে তখন যদি বিপরীত দিক থেকে কোন প্রকারের আঘাত পেয়ে যায় তখন সে নীরব হয়ে যায় হয়তো সেই প্রিয় মানুষটাকে কিছু সে বলতে পারেনা এজন্য তাকে নীরব থাকতে হয় ।
আসলে নীরবতায় কখনো বোঝে না যে তাকে ভালোবাসে না হতে পারে এই নীরবতায় তার ধৈর্য হয়তো সে বুঝতে পারছে যে হয়তো তার কোন ভুল হয়েছে বা এ ভুলের কোন সমাধান আছে এজন্য সে ধৈর্য্য ধারন করতেছে কিন্তু সবাই এই নীরবতার কারণ টা খুঁজবে না কেন সে এত নীরবতা পালন করতেছে ।
হয়তো নিরাপত্তায় আমাদেরকে এক সময় ভালো কিছু জিনিস দেবে যখন আপনি রাগে ক্ষোভে ফেটে যাবেন কারো উপরে তখন কিন্তু আপনি নিজের উপর নিজেকে কন্ট্রোল হারাবেন তাই নীরব যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ আপনার মাথা ঠান্ডা থাকবে এবং সবসময় সতেজ থাকবে আপনার পুরো শরীর এবং মানসিক শক্তি গুলো !
গল্প বলে কোন লাভ নেই আমি শুধুমাত্র এখানে কিছু উপদেশ সমূহ লেখ লাইন দিয়েছে যা আপনাদের হয়তো ভালো লাগবে একটি গল্পে কখনো বাস্তবতা নেই বললেই চলে না প্রত্যেকটা গল্পে কোন না কোনভাবে বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যায় ।
নিরব হয়ে কোন লাভ নেই কিন্তু নীরবতায় কখনো আপনাকে শক্তি জোগাবে আপনি হয়তো ভাবছেন যে নীরব হব না আমি এর বাধা বা এর একটি মানুষের সাথে আপনি সমস্যায় পড়তে ছেন এরকম অবস্থায় কখনো এরকম করা যাবে না আপনি ধৈর্য ধারণ করুন হয়তো নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা আপনার জন্য ভালো কিছু রেখেছেন !
আমাদের জন্য আল্লাহতালা সবকিছু নির্ধারণ করে দিয়েছে আমরা যদি নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারি তাহলে আমরা কিন্তু বড় একটি বোকামো কাজ করব তাই নিজেকে কন্ট্রোল করা প্রত্যেকটা মানুষের নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য প্রত্যেকটা মানুষের নিজের থেকে এই নীরবতা পালন করা উচিত এবং ধৈর্যধারণ করা প্রত্যেকটা মানুষের একদমই ভাবে করা উচিত ।
সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদেরকে বিভিন্ন রকমের কাজ কর্ম করতে হয় সেগুলো কাজে কেউ হয়তো মত বিনিময় করে কেউ অথবা না-ও করতে পারে সে বলে কি আপনি নিজের কাজকে থামিয়ে রাখবেন সেটা কিন্তু কখনো হয়না কিন্তু আপনাকে এমন কোন কাজ করতে হবে যা সকলের ভাল লাগবে বা ভালোবাসা থাকবে ।
আসলে এখন বর্তমান সমাজের যদি কেউ কোনো অবৈধ কাজ করে তাকে যদি আপনি মানা করতে চান তাহলে আপনাকে হুমকি দিবে এমন কিছু যা আপনাকে বড় রকমের সমস্যায় ফেলতে পারে তাই তখন আমরা কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই নীরব হয়ে থাকে কিছু বলার থাকে না তাদের সাথে ।
আমরা চিন্তা করি এবং বুঝতে চেষ্টা করি যে একদিন হয়তবা ভালো কিছু হবে এবং তারা বুঝবে যে যে কাজগুলো করছে একটি সমাজের জন্য বা কোন সমস্যায় পড়বে অন্য একজন তারা হয়তো বুঝে যাবে যে তারা হয়তো ভুল কাজ করতেছে আপনার নীরব থাকাটা একদিন তারা বুঝতে পারবে যে আপনি কেন নীরব হয়েছিলেন ।
যদিও ইয়ং জেনেরেশন শুধুমাত্র নীরব থাকে স্মার্টফোন ব্যবহার করার সময় ধরুন আপনি একজন টপ গেম আপনি গেম খেলতে ভালোবাসেন যে কোন গেম হতে পারে ফ্রী ফায়ার হতে পারে পাবজি ইত্যাদি এগুলো খেলার সময় কিন্তু একটি মানুষ কখনোই কথা বলার চেষ্টাও করে না চুপচাপ বসে থেকে খেলার চেষ্টা করে ।
যখন আপনাকে হঠাৎ কেউ কথা বলার জন্য আবেদন করবে তখন আপনি কিন্তু নীরব হয়ে থাকেন এটা একটা জীবনের বড় একটি ব্যাঘাত সময় আপনি যদি একটি মানুষের সাথে কথা না বলেন তাহলে সেই মানুষটা আপনার সাথে কখনোই কথা বলার চেষ্টা করবে না ।
আপনি যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন একে অপরের সাথে কথা বলুন মত বিনিময় করুন সবার সাথে সঠিক ভাবে কথা ব্যবহার করুন যেন সবাই আপনাকে ভালোবাসে একটা সমাজে বসবাস করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভালো কিছু ব্যবহার সবার সাথে করতে হবে যেন সবাই আপনাকে প্রচুর পরিমাণে আত্মার সাথে মিশে নেই ।

Comments
Post a Comment